ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নতুন বিতর্কে গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব টেন্ডারের প্রমাণ নেই:তদন্ত প্রতিবেদনও গোপন হাসানুজ্জামান এর বিরুদ্ধে দূর্নীতির বড় অভিযোগ বনার্তদের মাঝে বৃহত্তর নোয়াখালী কল্যাণ সমিতির ত্রান বিতরণ বিএসইসি (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫ সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ডিবিএ পাথর নিক্ষেপ নাকি ছদ্মবেশী রেকি (Recce): ভেরি হাইপ্রোফাইল নিরাপত্তা ও অপরাধতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বাংলার ভেনিস বরিশালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপিকে সুস্বাগতম শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ঘোষণা: বিচারিক জবাবদিহিতা ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি

একটি গাছ কাটায় উত্তপ্ত রুলি মাধ্যমিকবিদ্যালয়

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ জুন, ২০২৬,  10:18 AM

news image



একটি  মেহগ্নি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত  হয়ে উঠেছে  ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর এলাকার আলহাজ্ব মফিজ উদ্দীন একাডেমি রুলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়েসহ আশ পাশের এলাকা

 জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক  মো: আক্তারুজ্জামানের একচ্ছত্র আধিপত্য, স্বেচ্ছাচারিতা  আগে থেকে বিরক্ত ছিল এলাকাবাসি। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে ঘুষের বিনিময়ে  চাকুরি নিয়ে এখন আবার জামায়াত সেজে স্বেচ্চাচারিতা করে চলেছেন।

  নিজের খাম-খেয়াল মতো প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে গরীব দু:খী মানুষেরা তাদের ছেলে মেয়েদের স্কুলে পড়ানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। অনেক ছাত্র/ছাত্রী স্কুলের অর্থ জোগাড় করতে না পেরে অকালে ঝরে পড়ছে। বর্তমানে স্কুলের বেতন জেলা /উপজেলা ও মফস্বল শহরে ডিসি সাহেব নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

৬ষষ্ঠ থেকে ৮তম শ্রেণী পর্যন্ত মাসিক বেতন -১০টাকা। কিন্তু হেড মাষ্টার আক্তারুজ্জামান ছাত্র ছাত্রীদের কাছে থেকে আদায় করছে -৩০টাকা।

৯ম ও দশম শ্রেণীর মাসিক বেতন নির্ধারণ করা হয় -১৫ টাকা, কিন্তু হেড মাষ্টার আক্তারুজ্জামান ছাত্র ছাত্রীদের কাছে আদায় করছে -৪০ টাকা।

অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষার ফিস ৬ ষষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত নিচ্ছেন -৪৫০/= টাকা। ৯ম ও দশম শ্রেণী পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে -৫৫০/= টাকা। এছাড়াও সেশন চার্জ অনেক স্কুলে ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকদের কথা ভেবে নিচ্ছেন -১০০০/= টাকা, কিন্তু তিনি আদায় করছেন ১৪৫০/= টাকা। তিনি স্কুলের আয় ব্যয়ের কোন তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছামত ও খাম-খেয়ালিমত প্রতিষ্ঠানটি চালাচ্ছেন। 

গত ২৪/৬/২০২৬ ইং তারিখে কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে ২০-২৫ হাজার টাকার ১টা মেহগনি গাছ বিক্রি করে নিয়েছে।

এমতাবস্থা চলার কারণে অত্র এলাকায় জনগণের মধ্যে চরম অসন্তোষে সৃষ্টি হয়েছে। যে কোন সময় গন বিস্ফোরণ হতে পারে। 

এই জন্য বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল শিক্ষামন্ত্রনায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার  ও জেলা প্রশাসককে অতি সত্তর  এর পদক্ষেপ নিয়ে তদন্ত পূর্বকে একটা পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এলাকা বাসীর দাবি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম