নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 5:30 PM
জামাল পরিবারের নেতৃত্বে মুগদা এলাকায় বেপরোয়া মাদক ব্যবসা : থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
রাজধানীর মুগদা এলাকার মানদক ব্যবসার একক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত জামাল পরিবারের হাতে। অনেকটা প্রকাশ্যে বেপরোয়াভাবে এ পরিবারটি মাদেরক ব্যবসা করে যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক মামলা থাকলেও অদৃশ্য কোন ঈশারায় পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর পুলিশের চির মুখস্ত বক্তব্য তারা আসামীদের খুঁজছে।
সম্প্রতি দৈনিক কালের ছবি পত্রিকার অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক শরীফুল হাসানের উপর আক্রমন করে এ পরিবারের সদস্যরা্মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত সংবাদ করবে এমন অভিয়োগেই তাকে খুনের উদ্দেশ্যে হামলা চালায় জামাল পরিবারের সদস্যরা। সে হামলায় মারাত্বকভাবে আহত হন সাংবাদিক।
সে হামলার ঘটনায় মামলা হলেও একজন আসামীকেও ধরেনি থানা পুলিশ। উল্টো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী ও স্নত্রঅসী লালনের অভিযোগে অভিযুক্ত জামালের পরিবারটি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ঢাকার মুগদা থানার উত্তর মুগদা শান্তিকানন এলাকায় গত ২৩/৬/২০২৬ ইং তারিখে রাত আনুমানিক ৮ টার সময় মদিনা কাঁচাবাজাওে যাওয়ার সময়, মাষ্টারগলির ৫৮/২৫ বাসার সামানে হঠাৎ একদল মাদক বিক্রেতা দৈনিক কালের ছবির সাংবাদিক শরিফুল হাসান লিটনের উপরহত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন করে। এতে তার দেহের বিভিন্ন স্থানসহ বাম চোখে মারাত্বক ভাবে যখম হয়। নাইফ চোখে ঘুসি মারিয়া সাংবাদিকের বুক পকেটে থাকা ৩৩০০ ( তেত্রিশ শত টাকা) নিয়া যায়।
তার ডাক চিৎকারের এলাকার মানুষ আগাইয়া আসিলে তাহাদের মধ্যে নাইফ হুমকি দিয়া বলে এবার বাঁচিয়া গেলি পরবর্তিতে তোকে যেখানে পাইবো সেখানে হত্যাকরিয়া ফেলিব। এলাকার লোকজন সেখান থেকে সাংবাদিককে উদ্ধার করেমুগদা মেডিকেলে নিয়ে গেলে মুগদা মেডিকেলের ডাক্তাররা রেফার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে, ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডাক্তাররা রেফার করে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিটিউট ও হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন
ঘটনার সূত্রপাতঃ গত ২১/৬/২০২৬ ইং তারিখে এলাকার মাদকের গড ফাদার জামাল ও জামালের স্ত্রী গড মাদারনাসিমা বেগমের ২০/২৫ জনের এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা ও সন্ত্রাসীদেরকে নিযে সাংবাদিক শরিফুল হাসান লিটনকে তাহার বাসার সামনে আসিয়া হুমকি ধমকি প্রধান করে বলে মাদকের ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বা পত্রিকায় লেখালেখি করিলে তোকে ও তোর পরিবারের সকলকে প্রানে মারিয়া ফেলিবে এর ফলশ্রুতিত তাহাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২৩/৬/২০২৬ ইং তারিখে তাহার উপর আক্রমনকরা হয় ।
জামালের পুরো পরিবার এলাকায় দির্ঘ দিন ধরে মাদককারবার করিতেছে। এ ব্যাপারেগত ৬/৭/২০২৬ ইং তারিখে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য মাননীয় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্টেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয় মামলা নাম্বার- ১৮১/২৬।
মামলার আসামীরা হলেন।
১)মোঃ নাইফ (২০) পিতা -বিপ্লব ২) বিপ্লব ( ৪৫) পিতা-অজ্ঞাত ৩) মারুফ (২০) পিতা- অজ্ঞাত ৪) আলম ৫০ ৫) জামাল (৪৮) ৬) কামাল (৪৫) ৭) নওয়াব (৪০) ৮) শারফিন (৩৫) ৯) আলী (৩০) ১০) কমলা ১১) সুভ (২২) পিতা জামাল ১২) নাসিম বেগম (৪৩) স্বামী জামাল প্রকাশ থাকে যে ৫) আসামী জামালের আরেক পূত্র রয়েছে হৃদয় সে অত্যান্ত ভয়ানক সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতা এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের গডফাদার অনুরুপ ১০) আসামীক মলার মেয়ে নুরজাহান তার স্বামী রাহত ভয়ংকর সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতা তাছাড়া তাদের চাচাতো ভাইয়েরা রয়েছে তারাও মাদক বিক্রেতা ও সন্ত্রাসী। এরা সকলে মিলে প্রকাশ্যে মাদকের স্পট পরিচালনা করছে শান্তিকানন সোসাইটিতে।
সবার ঠিকানা- ৬২/৩/ই উত্তর মুগদা শান্তি কানন। এই বাসায় বসে এরা প্রায় ৩০/৩৫ বছর যাবৎ থানা পুলিশে ও বিভিন্ন আইনশৃক্ষলা বাহিনীর কতিপয় অসাধু সদস্যদের সহযোগিতায় এবং লোকাল সন্ত্রাসী ও কিছু নষ্ট হয়ে যাওয়া লোকাল পতিত রাজনৈতিক নেতা -কর্মীদেরকে ম্যানেজ করে মাদক স্পটটি প্রকাশ্যে পরিচালনা করিতেছে। ১৩) আনোয়ার (৫৫) পিতাঅজ্ঞাত ১৪) রুমা (৫০) স্বামী আনোয়ার ১৫) রোমান (২২) পিতা -আনোয়ার ১৬) রোহান ২০) পিতা-আনোয়ার ১৭) মাহের (২০) পিতা মোহাম্মদ আলী সর্ব সাং ৫৮/১৯/১ উত্তর মুগদা শান্তি কানন সোসাইটি ( মাষ্টারগলি )। রুমা আরেকটি মাদকের স্পট প্রকাশ্যে পরিচালনা করিতেছে। এদের প্রায় সকলের বিরুদ্ধে মুগদা থানায় বহু মামলা রয়েছে। এই মামলায় আরো অজ্ঞাত ১০/১২ জন আসামী রয়েছে।