আয়েশা আক্তার মীম
১৫ এপ্রিল, ২০২৬, 11:20 AM
দু গ্রুপের টানাটানিতে অতিষ্ঠ মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীরা
ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এবং পরিচিত পাইকারি ও খুঁচরা বাজার, যা সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য যেমন মাছ, মাংস, শাক-সবজি ও ফলের জন্য পরিচিত। এই মার্কেটের ২০২৪ সালের বনিক সমিতির নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মার্কেট কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো- লুৎফর রহমান বাবুল!
বাবুল রাজনৈতিক ভাবে বি এন পি রাজনীতির সাথে জড়িত। বাবুলের ভাই মিজানুর রহমান লক্ষীপুর রামগঞ্জ পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবং সম্ভাব্য বিএনপি থেকে কাউন্সিলর পার্থী। বাবুল পুরো পরিবার ফ্যাসিস্ট আমলে নানান রকম মামলা এবং সামাজিক ভাবে অত্যাচারের শিকার হন।
৫ই আগষ্টের পর দেশের পরিস্থিতি যখন ভঙ্গুর অবস্থায় ঠিক তখনই স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল মার্কেট কমিটির সভাপতি লুৎফর রহমান বাবুলের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। এতে বি এন পি এর দু গ্রুপে আভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হয়, এতে বাবুল বিপরীত পক্ষকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় ধর পাকড় এবং সামাজিকভাবে মারধরের হুমকি এবং ভয় ভীতি। একপর্যায়ে সভাপতি বাবুল এদের সাথে টিকতে না পেরে প্রশাসনের শ্মরণাপন্ন হন।
এই সুবাদে ওই বিপরীত গ্রুপ মার্কেট দখল করে, এবং নিজেদের মাঝে সভাপতি সেক্রেটারি নির্বাচিত করে। এক পর্যায়ে সভাপতি বাবুল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কোর্টে মামলা করা হলেও মামলা প্রক্রিয়া চলমান।
তথ্যসূত্র জানা যায়, মার্কেটের ব্যবসায়ীরা মার্কেট দখলকারী নব নিযুক্ত সভাপতি নুরুল ইসলামসহ তার সহযোগীদের উপর চরমভাবে ক্ষিপ্ত। কারণ এই নুরুল ইসলাম আসার পর থেকে দলবল নিয়ে মার্কেটের সকল আয় ভোগ করছে এবং ব্যবসায়ীদেরকে নানান ভাবে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে তাই ব্যবসায়ীরা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে নারাজ।
ব্যবসায়ীদের মতে তাদের সাবেক সভাপতি বাবুল তাদের জন্য অনেক ভালো ছিল, বাবুল সাহেব দীর্ঘদিন সভাপরি থাকার কারণে মার্কেটের অনেক উন্নয়ন সাধন করেন। আর নুরুল ইসলাম সাহেব তার দলবল নিয়ে দখল করার পর থেকে মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সাথে কোনরকম সদাচরণ করেননি।
সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবি বাবুল সাহেব তাদের জন্য অনেক ভালো ছিলেন তাই তারা প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি জানাচ্ছে তাদের বাবুল যাতে তাদের বাবুল সাহেবের দায়িত্ব ফিরে পায়।