নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, 11:39 PM
বরুড়া ওসির প্রশ্রয়ে চলছে মাটি লুট যৌথবাহিনীর সন্ত্রাসী আটককে “নাটক ” মনে করেন তিনি
বরুড়া থানার ও সি মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। থানার চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে অবৈধ মাটি লুটে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে এ ডাক সাইটের পুলিশ কর্ম
কুমিল্লা বড়রা উপজেলার গহিন খালী গ্রামের প্রবাসী বায়েজিদ হাসান ইয়াসিন নামের এক ব্যক্তির স্থাবর অস্থাবর সকল সম্পত্তি বেদখল হয়ে যাচ্ছে।
তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায় আক্তার হোসেন নামের এক সন্ত্রাসী এসব কর্মকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। আক্তার হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ওয়ারেন্টের তথ্য পাওয়া যায়। ইয়াসিন এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শামীম ব্রিকস , মক্কা টিম্বার ও শাকিল এন্টারপ্রাইজ সহ এমন কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই যে আক্তার হস্তক্ষেপ করেননি ।
ইয়াসিন নামের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী কুমিল্লা জেলার সর্বোচ্চ করদাতাদের একজন ছিলেন। এই আক্তার এর অত্যাচারে ইয়াসিন নামের এই ব্যবসায়ী দেশ তেগে বাধ্য হন। আর এই সুযোগে ব্যবসায়ী ইয়াসিনের ব্যবসার সকল প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে বিক্রি করে দেন।
এতেও ক্ষান্ত হননি এখন আবার শামীম ব্রিকস এর ইটভাটা থেকে নিয়মিত লক্ষ লক্ষ মাটি বিক্রি করে চলছেন। ভুক্তভোগি ইয়াসিন প্রশাসনের কাছে একাধিকবার শরণাপন্ন হওয়ার পরেও কোন সুরাহা পাননি। বড়ুয়া থানার ও সি মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম কে সন্ত্রাসী আক্তার হোসেন এর ব্যাপারে কথা বললে তিনি সন্ত্রাসির পক্ষে সাফাই গান। একাধিক মামলার আসামি আক্তার অস্ত্রসহ যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেফতারহন এ ব্যাপারে ওসি যৌথ বাহিনীর গ্রেফতার কে সাজানো নাটক মন্তব্য করেন।
এই সন্ত্রাসী আক্তার হোসেন এত বড় অপরাধী হয়েও রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। থেমে থাকেনি তার অপকর্ম কারণ তিনি নিয়মিত থানায় মাসোহরা দিয়ে চলেন। গত আওয়ামী লীগের আমলে এম পি এস কে শামীম এর হাত ধরে অপরাধের স্বর্গরাজ্য গরে তোলেন। ৫ ই আগস্ট এর পর এখন আবার বিএনপির ছায়াতলে নিজেকে লোকান।এই আক্তার এতটাই দুর্র্ধষ যে তার ভয়ে কেউ শামীম কিছু বললে তাকে হত্যাহুমকি সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করে থাকেন।
তাই তার বিরুদ্ধে আর কেউ সরাসরি মুখ খুলতে নারাজ। শামীম ব্রিক এর মাটি উত্তোলন এর ব্যাপারে ইউ এন ও আসাদুজ্জামান রনি এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করেছি রাতের আঁধারে মাটি বিক্রি করার কারণে এই অপরাধ বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে, তবে আমারও সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এসিলেন্ট আহসান হাফিজ কে সাথে নিয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় মাটি কাটার তিনটি ভেকু পড়ে আছে মাটিকাটা বন্ধ করতে এসব ইকুপমেন্ট গুলো জব্দ করা হচ্ছে না কেন বললে তিনি জানান যেহেতু ভারী যন্ত্রাংশ তাই স্থানান্তর করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যে করেই হোক এই অপরাধ বন্ধ করার জন্য।