ঢাকা ২৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নতুন বিতর্কে গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব টেন্ডারের প্রমাণ নেই:তদন্ত প্রতিবেদনও গোপন হাসানুজ্জামান এর বিরুদ্ধে দূর্নীতির বড় অভিযোগ বনার্তদের মাঝে বৃহত্তর নোয়াখালী কল্যাণ সমিতির ত্রান বিতরণ বিএসইসি (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫ সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ডিবিএ পাথর নিক্ষেপ নাকি ছদ্মবেশী রেকি (Recce): ভেরি হাইপ্রোফাইল নিরাপত্তা ও অপরাধতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বাংলার ভেনিস বরিশালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপিকে সুস্বাগতম শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ঘোষণা: বিচারিক জবাবদিহিতা ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি

বর্ষণ-বন্যা-ভূমিধসে বিপর্যস্ত হিমাচল : নিহত ১৮৪

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৪ আগস্ট, ২০২৫,  5:45 PM

news image

প্রবল বর্ষণ এবং তার ফলে সৃষ্ট বন্যা, বজ্রপাত ও ভূমিধসে গত ২০ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট— ১৪ দিনে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য রাজ্য হিমাচলে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮৪ জন। এছাড়া বন্যা ও ভূমিধসের জেরে রাজ্যের ৩০৫টি জাতীয় মহাসড়কসহ ৩০৯টি সড়ক পুরোপুরি বন্ধ আছে।

গত দু’সপ্তাহ ধরে প্রবল বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসের জেরে রাজ্যজুড়ে পানি সরবরাহ সংক্রান্ত ২৩৬ জলাধার এবং ১১৩টি বিদ্যুৎ সরবরাহ ট্রান্সফরমার ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে রাজ্যের বহু এলাকায় দেখা দিয়েছে পানি ও বিদ্যুৎ সংকট।

নিহতদের মধ্যে ১০৩ জন মারা গেছেন ভূমিধস (১৭ জন), আকস্মিক বন্যা (৮ জন), মেঘভাঙা বৃষ্টি (ক্লাউডবার্স্ট-১৭ জন), বিদ্যুৎপৃষ্ট (৭ জন) বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া (২০ জন)-সহ বর্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন দুর্যোগে। বাকি ৮১ জন মারা গেছেন সড়ক দুর্ঘটনায়।

প্রাণ হানির ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে রাজ্যের মান্দি জেলায়। মান্দির বিভিন্ন এলাকায় বর্ষাজনিত দুর্যোগে মারা গেছেন ১৪ জন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের।

বন্যার কারণে রাজ্যের ৮৮ হাজার ৮০০ একর জমির ফসল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের (আইএমডি) পূর্বাভাসে কোনো সুসংবাদ পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ পূর্বাভাসে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে আগামী আরও কয়েক দিন হিমাচলের বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে কিংবা লাগাতার বর্ষণ অব্যাহত থাকবে।

হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত হিমাচল প্রদেশে ভৌগলিক কারণেই বর্ষাকালে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় প্রবল বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা, ভূমিধসের ঘটনা বেশি হয়ে থাকে। তার ওপর গত বেশ কয়েক বছর ধরে অপরিকল্পিত নগরায়ন ও বনাঞ্চল ধ্বংস দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সম্প্রতি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এই মর্মে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে অপরিকল্পত নগরায়ন, শিল্পায়ন ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ধ্বংসে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে হয়তো শিগগিরই একদিন ভারতের মানচিত্র থেকে হিমাচল রাজ্যের নাম মুছে যাবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম