ঢাকা ৩০ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান- প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ও পরিকল্পনা উপদেষ্টার রেলওয়ে সিসিএস দপ্তরে আগুনের নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ফ্যাসিস্ট ও দূর্নীতির নায়কের প্রমোশনে : রেল প্রশাসনে হাতাশা নোয়াগাঁ ইউনিয়নে পোস্টার বিতর্ক: বিএনপি নেতার পদবি নিয়ে বিভ্রান্তি আড়াইহাজারে প্রবাসী সালাউদ্দিন মোল্লার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া রেলওয়েতে ছাত্রদল নেতাকে সরিয়ে আওয়ামী দোসর আনোয়ার লতা গ্রুপ চেয়ারম্যান এর ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা ৪১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল পার্থী আনোয়ার হোসেন এর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদ-উল ফিতরে এড. নজরুল ইসলামের শুভেচ্ছা কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ড-এর আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ফ্যাসিস্ট ও দূর্নীতির নায়কের প্রমোশনে : রেল প্রশাসনে হাতাশা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ মার্চ, ২০২৬,  12:55 PM

news image


 ফ্যাসিস্ট এবং প্রমানীতি দূর্নীতিবাজ হিসেবে রেল প্রশাসনে পরিচিত মুখ রেলওয়ের প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম। সম্প্রতি এই দূর্নীতিবাজ এবং রেলে ফ্যাসিসজম বয়ান বাস্তবায়নে অগ্রনী ভূমিকা পালন কারি হিসেবে তার পরিচিতি সর্বজন বিদিত।

ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তিনি রেল প্রশাসনে পরিচিত ছিলেন, সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সূজনের ভাগ্নি জামাই হিসেবে। তা ছাড়া ফ্যাসিস্ট সরকারের উর্ধতন মহলের পাশাপাশি ফ্যাস্স্টি গড ফাদারদের সাথে মিলে রেলের সম্পদ লুটপাটে তার ভূমিকা ছিল প্রকাশ্য। বেপরোয়া আচরণ এবং সরকারি সম্পদ জাল জালিয়াতির মাধ্যমে লুট পাট করার কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দূর্নীতি দমন কমিশন দূদক। 


ফ্যাস্স্টি সরাকরের পতনের পর রেল প্রশাসন আশা করেছিল এই ফ্যাসিস্ট ও দূর্ণীতিবাজের শাস্তি হবে। কিন্তু তা না হয়ে বিএনপি সরকারের সময়ে তিনি প্রাইজ  প্রমোশন বাগিযে নিয়েছেন। । এতে এক ধরণের হতাশা সৃষ্টি হয়েছে রেল প্রশাসনের মধ্যে। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে বিএনপি সমর্থক হওয়ায় যাদেরকে কোন ঠাসা করে রাখা হয়েছিল, ও পরীিিক্ষতদের উপেক্ষা করে ফ্যাসিস্ট এর প্রমোশনের পেছনে মোটা অংকের অর্থ লেন দেনের সন্দেহ করছেন অনেকেই।

এতে মূলত  বিএনপি সরকারের উজ্জলতায় কালিমা লেপন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট  সূত্র বলছে এর সাথে এই অপকর্মের পেছনে ডিজি অফিসের যোগসাজুস্য রয়েছে। 

আনোয়ারুল ইসলাম  এর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় কার্যক্রমে জাল নথি তৈরি করে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করে তিনি সরকারি অর্থ লোপাট করেছেন।  পছন্দের ঠিকাদারদের ঘুষের বিনিময়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া, প্রতিটি ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য ৫ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর মামলায় অভিযুক্ত থাকা সত্ত্বেও আনোয়ারুল ইসলাম একাধিকবার পদোন্নতি পেয়েছেন, যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।


রেলের এই পরিচিত দূর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্ট হিসেবে নিজেকে জাহিরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে তিনি নতুন করে রেলের অতিগুরুত্বপূর্ণ  পদে প্রশোশনসহ পোস্টিং পেয়েছেন। জানা যায়, রেলে মালামাল সরবরাহে ১ কোটি ৬২ লাখ আত্মসাৎ এর ঘটনায়  আলোচিত যে ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল  তাদের অন্যতম  হচ্ছেন প্রমোশন নিয়ে বিতর্কে জড়ানে কর্মকর্তা  আনোয়ার হোসেন।

দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আহসানুল কবির পলাশ এ মামলাটি দায়ের করেন। মালামালের পরিমাণ ও কাগজপত্র পরিবর্তন করে মালামাল ক্রয়ের ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি করে সরকারের ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৭২৩ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ রেলওয়ে, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম দপ্তরে পাঠানোর সত্যায়িত রেকর্ডপত্র এবং প্রধান হিসাব অধিকর্তা (পূর্ব), বাংলাদেশ রেলওয়ে, চট্টগ্রাম দপ্তরের পাঠানো সত্যায়িত রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, চুক্তিপত্রের মূল্য একই থাকলেও মালামালের পরিমাণ ও একক মূল্যের মধ্যে মিল নেই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম