নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ মার্চ, ২০২৬, 2:19 PM
১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর’ হিসেবে মামুন-কে’ পেতে আগ্রহী -১৯ নং ওয়ার্ডবাসী
আব্দুল্লাহ আল মামুন (ত্যাগী নেতা, সমাজসেবক, গণতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন, জনপ্রিয় ও জনদরদী ব্যক্তিত্ব) স্থানীয় নাগরিকবৃন্দের সমর্থনে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ১৯ নং ওয়ার্ড (ডিএনসিসি)। সাবেক (সফল) ছাত্রনেতা, (নির্বাচিত) সাধারণ সম্পাদক ১৯ নং ওয়ার্ড (ডিএনসিসি), গুলশান, বনানী থানা, বিএনপি (ঢাকা মহানগর উত্তর)। ইতোমধ্যেই স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের বিষয়ে ইসিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
যার পরিপ্রেক্ষিতে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন ব্যক্তিরা- কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায়- ডিএনসিসি ১৯ নং ওয়ার্ডের মানবিক ব্যক্তিত্ব ‘মামুন’ আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে (স্থানীয়ভাবে) জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে’ শক্ত অবস্থানে এগিয়ে আছেন।
সরেজমিন পরিদর্শনে -স্থানীয়ভাবে (গুলশান, বনানী, মহাখালী, কড়াইল এলাকা) ১৯ নং ওয়ার্ড তথা গুলশান-বনানী থানাধীন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী ও স্থানীয় সচেতন (নারী-পুরুষ) নাগরিকদের সঙ্গে কথা বললে’ তাদের বক্তব্য “তিনি (মামুন) ছোটবেলা থেকেই শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে সৎভাবে’ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
তিনি (মামুন) স্বৈরাচার কর্তৃক বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও’ ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের নির্দেশে- নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী সকল আন্দোলনে (জীবন বাজি রেখে) মাঠে ছিলেন। তিনি (মামুন) সবসময় বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ, তৃণমূল নেতা-কর্মী, সকল ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও স্থানীয় (নারী,পুরুষ) নাগরিকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন। তিনি (মামুন) অত্যন্ত মানবিক ব্যক্তি এবং সৎ, ত্যাগী বিএনপি নেতা, শিক্ষানুরাগী, দায়িত্বশীল ও গণতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি হিসেবে ১৯ নং ওয়ার্ডের সকলের কাছে সুপরিচিত। তিনি (মামুন) কখনো দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির রাজনীতি করেন না। তার সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে- কিছু মুখোশধারী প্রায়ই- অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করে, যা ১৯ নং ওয়ার্ডবাসী’সহ কোনো সচেতন নাগরিকের কাছেই-গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি (মামুন) সবসময় অসহায় স্থানীয় নাগরিকদের (সাধ্যমতো) বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই-সমাজকল্যান প্রতিমন্ত্রী, ডিএনসিসি প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সরকারী ও এনজিওর কর্মকর্তারা ১৯নং ওয়ার্ড তথা-কড়াইল এলাকার উন্নয়েনের স্বার্থে, এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন।
বিশেষ করে- তিনি (মামুন) বিগত বহু সময় আগে থেকেই, উক্ত ১৯ নং ওয়ার্ডে জন ও এলাকার কল্যাণের উদ্দেশ্যে- বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে-(এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে) স্থানীয় নাগরিকদের সাথে নিয়ে, দায়িত্বশীলভাবে (সাধ্যমতো) বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে- যথাযথ’ যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছেন।
তিনি (মামুন) কাউন্সিলর হিসেবে বিজয়ী হলে-১৯নং ওয়ার্ড এলাকায় যথেষ্ট উন্নয়ন মূলক- কাজ করবেন বলে, আমরা আশা করছি। যেমনঃ-রাস্তা-ঘাট মেরামত,ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন, স্থানীয় ভোটার ও বাসিন্দাদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের চেষ্টা,মহামারি বা আপদকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ব্যবসায়ী,
শ্রমিক সহ সকল (নারী-পুরুষ) নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা করা,ছেলে-মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উপযুক্ত মাঠ উন্নয়ন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের-শিক্ষার মান উন্নয়ন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আবাসিক-অনাবাসিক স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা,
নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি, মশক নিধন, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং ও মাদকমুক্ত’করণে উদ্যোগ, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও সংস্কার,প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান-সহ’ সকল নারী-পুরুষ নাগরিকের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করে-(যথাযথ’ সাধ্যমতো) দায়িত্বশীল পদক্ষেপের মাধ্যমে- একটি স্থিতিশীল, নিরাপদ ও আধুনিক (মডেল) ১৯ নং ওয়ার্ড গড়তে-দায়িত্বশীল, সমাজসেবক ব্যক্তিত্ব-মামুনের কোন বিকল্প নাই।
তাই আমরা ১৯নং ওয়ার্ড- এলাকাবাসী আশা করছি- আসন্ন সিটি নির্বাচনে- ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে মানবিক, যোগ্য ব্যক্তিত্ব ‘মামুন’-এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা বিএনপি দল থেকে’ কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে’ তাকে (মামুন) মনোনয়ন দেওয়ার জন্য- বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী (দেশ নায়ক) তারেক রহমানের’ সদয় হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করছি এবং
পাশাপাশি-আমরা ১৯ নং ওয়ার্ডবাসী’ মামুনকে কাউন্সিলর হিসেবে বিজয়ী করে, একটি নিরাপদ, আধুনিক, মডেল ও অত্যাধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলতে- (মাঠপর্যায়ে) সহযোগিতা করবো । ইনশাআল্লাহ।”