ঢাকা ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পরিত্যক্ত ঘর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র, ককটেল উদ্ধার করেছে র‍্যাব শিল্পকলায় ইউএপি ড্রামা ক্লাবের ‘পোস্টমর্টেম’ নাটকের মঞ্চায়ন মাইক্রো ক্রেডিটরেগুলেটর অথরিটির কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার স্বতন্ত্র প্রার্থি হিসেবে টিকে গেলেন রাজিব উদ দৌলা চৌধূরী উত্তরাধিকার ও উত্তরণের সন্ধিক্ষণে তারেক রহমান সাংবাদিকদের সংবর্ধনা দিলো নতুনধারা ফাউন্ডেশন ১০ জনকে পুরস্কার বরুড়া ওসির প্রশ্রয়ে চলছে মাটি লুট যৌথবাহিনীর সন্ত্রাসী আটককে “নাটক ” মনে করেন তিনি যাত্রাবাড়ীর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা যশোরে অস্ত্রের মুখে ব্যবসায়ীকে অপহরণ রাজধানী চন্দ্রিমা মডেল টাউনে রাজউকের অনুমোদন বিহীন ব্যাঙেরছাতার মতো ১০ ও ১৫ তলা ভবন গড়ে উঠেছে ডেমরায় ভবন নির্মাণ কাজে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকি : থানায় জিডি

শ্মশানের নামের দ্বদ্বে, মরদেহ সৎকারে বাধার অভিযোগ

#

শংকর কুমার রায়ঃ উল্লাপাড়া

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬,  12:23 PM

news image



 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় একটি শ্মশানের নাম নিয়ে দ্বন্দ্বে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা নারীর মরদেহ সৎকারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন মৃতের স্বজন ও গ্রামবাসী। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ করেন তারা। উপজেলার ঝিকিরা গ্রামের বাসিন্দা সন্তোষ বনিক বলেন, রবিবার রাতে আমার মা মিনা বনিকের মৃত্যু হয়।

সোমবার সকালে মরদেহ নিয়ে সৎকারের জন্য উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে গেলে ঘোষগাতি গ্রামের বাবলু ভৌমিক শ্মশানের চাবি না দিয়ে আমাদের তাড়িয়ে দেয়। এ কারণে মরদেহ নিয়ে উপজেলা চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ করেছে স্বজন ও গ্রামবাসী।

ঝিকিরা মহল্লার রাজেশ কুমার সাহা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মহাশ্মাশানটি উল্লাপাড়া মহাশ্মশান নামে পরিচিত। এখানে আমাদের উপজেলার সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে সৎকার করা হতো।

সম্প্রতি এই মহাশ্মশানটি ঘোষগাতি মহাশ্মশান নামে নামকরণ করা হয়। এরপর থেকে শ্মশানের দায়িত্বে নিয়োজিতরা সৎকারে বাধা দিচ্ছেন। এটা অন্যায়, আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবলু ভৌমিক বলেন, মৃত মিনা বনিকের ছেলেরা উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের নাম উল্লেখ করে মাইকিং করেছে।

এটি এখন ঘোষগাতি মহাশ্মশান। যে কারণে তাদের চাবি না দিয়ে মাইকিং করা মহাশ্মশান যেখানে আছে, সেখানে যেতে বলা হয়েছিল। তবে বিক্ষোভ করার পর ইউএনও অফিস থেকে যোগাযোগ করা হলে মৃত ব্যক্তির স্বজনদের কাছে চাবি দেওয়া হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম